উদ্ভাবনী স্বীকৃতি

সংকল্প গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডস ২০২১ পেয়েছে ফলিয়া ওয়াটার

এক্সট্রা নিউজ | প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২১ ১৩:২২; আপডেট: ৭ নভেম্বর ২০২১ ১৩:২৭

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফলিয়া ওয়াটারের ন্যানো-সিলভার ইমপ্রেগনেটেড পেপার।

বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারে উদ্ভাবনী পণ্য আনার স্বীকৃতিস্বরূপ “হেলথ অ্যান্ড ওয়াশ” বিভাগে সংকল্প গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডস ২০২১ পেয়েছে ফলিয়া ওয়াটার। ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ইনটেলেক্যাপ ২০০৯ সালে সংকল্প গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড সিস্টেম চালু করে ইনডিয়ায়।  
এ বছর, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আড়াই শ’র বেশি উদীয়মান উদ্যোগের সাথে ফেলিয়াও সংকল্প গ্লোবাল সামিটে অংশ নেয় এবং হেলথ অ্যান্ড ওয়াশ সেক্টরে সেরা “প্রভাবশালী উদ্যোগ ২০২১” পুরস্কার জয় করে। ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ১৩তম সংকল্প গ্লোবাল সামিটে এ পুরস্কারের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।

ফলিয়ার পানি পরিশোধনে ব্যবহার করা হয় ন্যানো-সিলভার ইমপ্রেগনেটেড পেপার, এটি দেখতে ও কাজে কফি ফিল্টারের মতো। ফিল্টারের সিলভার আয়ন ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব ধ্বংস করে পানিকে পানের উপযোগী নিরাপদ করে তোলে। এটাই বিশ্বের প্রথম ওয়াটার ফিল্টার যা খুচরাপণ্য হিসেবে মুদি দোকানেও পাওয়া যায়। নিম্ন আয়ের মানুষ খাবার পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে ঠিক যতটুকু খরচ করতে আগ্রহী, তার সাথে সামঞ্জস্য রাখার ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবন এক অনন্য সমাধান। খ্যাতিমান মার্কিন পদার্থ বিজ্ঞানী ড. জোনাথন লেভিন ও ড. থেরেসা ডানকোভিচ ফলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা। তাঁদের স্বপ্ন ছিল, পানের উপেযোগী নিরাপদ পানি পাওয়ার এমন এক সমাধান বের করা যা উন্নয়নশীল দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের হাতের নাগালে থাকবে।

সংকল্প গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডস ২০২১ পেয়েছে ফলিয়া ওয়াটার

ফলিয়া ওয়াটার বাংলাদেশে যশোর ও খুলনা জেলায় কাজ করছে এবং এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি নিম্ন আয়ের মানুষকে নিরাপদ খাবার পানির আওতায় এনেছে, এর সাশ্রয়ী মূল্যের ওয়াটার ফিল্টার পেপারের মাধ্যমে। প্রচলিত খুচরা বিক্রয় প্রক্রিয়া ও সামাজিক আচরণগত পরিবর্তনে প্রচার কার্যক্রমের মিলিত একটি পদ্ধতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা ফলিয়া, দেশব্যাপী বাণিজ্যিকীকরণের প্রক্রিয়ায় আছে এবং ২০২৪ সালের মধ্যে একই প্রক্রিয়া দক্ষিণ এশিয়ার অগ্রগামী দেশগুলোতেও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। ফলিয়া ওয়াটার আশা করছে, দক্ষিণ এশিয়ার ৫০ কোটি নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করে, স্বাস্থ্য খাতে ১ বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে শীঘ্রই।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, ‘নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে হাসপাতালে রোগী ভর্তির একটি অন্যতম কারণ অনিরাপদ পানি। সাশ্রয়ী মূল্য ও সহজলভ্যতা-নিম্ন আয়ের মানুষের নিরাপদ পানি পাওয়ার এই বড় দুই বাধা দূর করার ক্ষেত্রে আমাদের উদ্ভাবন একটি অনন্য সমাধান। তিনি আরও বলেন, ‘ফলিয়া ওয়াটার ইতোমধ্যে বাজারে নিজের উপযুক্ততা প্রমাণে সক্ষম হয়েছে এবং ২০২২ সালে দেশের একাধিক জেলায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে। পুরস্কার জয়ের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সংকল্প ফোরাম থেকে যে স্বীকৃতি আমরা পেয়েছি তা নিঃসন্দেহে অনেক বড় বিষয় যা আমাদের অংশীদার ও বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মিলিত প্রয়াসের ফল। সংকল্প ফোরামের মতো একটি গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম থেকে এই উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি পেয়ে আমরা গর্বিত এবং এই অর্জন দেশব্যাপী নিম্ন আয়ের মানুষকে বিশুদ্ধ পানির আওতায় আনার পাশাপাশি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়া লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের আরও আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যোগী হতে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।’




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর

যোগাযোগ: বাসা- বি-৬২ (৩য় তলা) , রোড: ৩, ব্লক: বি, নিকেতন, গুলশান-১, ঢাকা-১২১৩

মোবাইল : ০১৭১৯০২৩৮০৩

ইমেইল : extraprbd@gmail.com

Developed with by
Top